আমায় চুদবে?

আমায় চুদবে?

রহিমা, আমি স্বপ্নেও ভাবিনি তোমাকে এতো আমার করে চুদতে পারবো। – তাই সোনা। আমিও মনে মনে তোমাকে চেয়েছিলাম। তোমার ধনটা একদিন আমি দেখেফেলেছিলাম। – তাই? কবে? – এই তো ২০/২৫ দিন আগে। সবাই ঘুমে। আমি ওঠে পেয়ারা পাড়ার জন্য এসে পেছনের জানালা দিয়ে দেখি তুমি রানী মুখার্র্জীর পোস্টার দেখে দেখে হাত মারছ। ও কী বড় তোমার ধন টা!আমার খুব চুদাচুদি করতে ইচ্ছে হলো তখন। ভাবলাম ডাকবো, তোমার ঘরে আসার জন্য। – তো ডাকলে না কেন? আমি তো তোমাকে পেলে স্বর্গ হাতে পেতাম। – সবাই যদি দেখে ফেলে। আমায় চুদবে?
তাই, ডাকি নি। ইচ্ছেটাকে হজম করেছি। আর মনে মনে বলেছি, ঠাকুর শাহেদ আমাকে কবে চুদবে? – এই তো, এই তো রে মাগি…… তোরে চুদছি ……. কী আমার পাচ্ছিস না? – খুব আরাম পাচ্ছি…….. ওমা গো গো গো গো গো…………………….. জোরে জোরে দাও…………. আমার আউট হবে…… জোরে জোরে কর………………… – এই তো নে…………… বলেই আরোও ঠাপ বাড়িয়ে দিলে শাহেদ….. শাহেদর বাড়ার ঠেলায় শব্দ হতে থাকলো কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. – কী কেমন আরাম দিচ্ছি রে মাগী? – দারুন!তুমি সত্যিই অস্বাধারণ। তোমার জবাব নেই শাহেদ। কথা দাও এশাহেদ করে আমার ভোদা ফাটাবে প্রতিদিন….? – কথা দিলাম রে মাগী। এই বলে দুই হাত দিয়ে দুধটাকে কচলাতে থাকলো আর ঠাপ মারতে থাকলো…. পুরো ঘর …..কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ……. কচ কচ কচ…….এই শব্দে মহিত হলে গেল। তারপর শাহেদ রহিমার মোটা ঠোটটা কামড়াতে থাকলো কিছু সময়। – আমার তোমার ইংলিশ কাটিংয়ে মাল আউট করবো। এ রকম করেছিস কখনো? – কিভাবে? – আমার মাল আউটের সময় প্রায় হয়ে এলো। তুই আমার ধনটা আবার চুষতে থাক। – ঠিক আছে – দাও, ধন বাবাজীকে আমার ঠোটের ভিতর ঢুকিয়ে দাও। রহিমা খাবলে খাবলে আইসক্রীম খাবার মত করে শাহেদর ধনটা চাটতে থাকলো। – আহা: কী আমার, কী সুখ! তুই মাগি খুবই এক্সপার্ট। কী সুন্দর করে চাটছিস।তোর হাতে জাদু আছেরে রহিমা। চাটো আরো জোরে জোরে চাটো…… আইসক্রীমের মত করে চাট…….. আ…..আ…..আ…..আ……আ…….আ…. …আ…….আ…….আ….আ……আ……


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

Full videos download